জয়পুরহাট জেলার ভৌগলিক পরিচিতি

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় জয়পুরহাট জেলার ভৌগলিক পরিচিতি।

 

জয়পুরহাট জেলার ভৌগলিক পরিচিতি
পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি – জয়পুরহাট জেলা

 

জয়পুরহাট জেলার ভৌগলিক পরিচিতি:-

জয়পুরহাট জেলা রাজশাহী জেলার উত্তর প্রান্তে অবস্থিত। জয়পুরহাট জেলার উত্তরে দিনাজপুর জেলা ও ভারত। পূর্বে গাইবান্ধা ও বগুড়া জেলা, দক্ষিণে বগুড়া এবং নওগাঁ জেলা , পশ্চিমে নওগাঁ জেলা এবং ভারত অবস্থিত।

জয়পুরহাট জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এ জেলার অন্তর্গত তিলকপুর বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের একটি প্রাচীন মফস্বল, এটি সুতা ক্রয়-বিক্রয়ের হাটের জন্য বিখ্যাত ছিল । সময়ের পরিক্রমায় সে হাট এখন হারিয়ে গেছে ।

তিলকপুরের প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হল তিলকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় যা ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি একবার শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক বিদ্যালয় হবার মর্যাদা লাভ করে। উল্লেখ্য প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও একই বছর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল । মজার ব্যাপার হলো এটি এমন এক জেলা যেখানে সকল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস।

জয়পুরহাট জেলার উত্তরে দিনাজপুর জেলা, দক্ষিণে বগুড়া জেলা ও নওগাঁ জেলা, পূর্বে বগুড়া জেলা ও গাইবান্ধা জেলা, পশ্চিমে নওগাঁ জেলা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। জেলাটির মোট এলাকার পরিমাণ ৯৬৫.৮৮ বর্গ কিলোমিটার।

 

google news
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

জয়পুরহাট জেলার সড়ক যোগাযোগ

পাকা রাস্তা- ৩৪২.৫৯ কি. মি., আধা পাকা রাস্তা- ৬১.৯৫ কি. মি., কাঁচা রাস্তা- ১,৫৯৬ কি.মি.।

জয়পুরহাট জেলার রেল যোগাযোগ

মোট রেলপথ- ৩৮.৮৬ কি. মি., মোট রেল স্টেশনের সংখ্যা- ০৭ টি (জয়পুরহাট, পাঁচবিবি, জামালগঞ্জ, আক্কেলপুর, জাফরপুর, তিলকপুর ও বাগজানা)।

ঢাকা থেকে উপজেলা সদরের যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই ভাল। সড়ক পথে ঢাকা থেকে দুরত্ব ২৮০ কি.মি এর মতো। চলাচলের মাধ্যম হিসেবে হানিফ, শ্যামলী, শাহ ফতেহ আলী, সালমা, এস আর ট্রাভেলসের বিলাসবহুল কোচ পাওয়া যায়। রেলপথে এ জেলায় রয়েছে জয়পুরহাট রেলওয়ে স্টেশন। যা রেলপথে সারাদেশের সাথে জয়পুরহাটের যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। ঢাকা অভিমুুুখী আন্তঃনগরগুলো হলো একতা, দ্রুতযান, নীলসাগর এবং কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস।

 

জয়পুরহাট জেলার ভৌগলিক পরিচিতি
ভীমের পান্টি – জয়পুরহাট জেলা

 

Leave a Comment