আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় জয়পুরহাট জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

জয়পুরহাট জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:-
জয়পুরহাট জেলার শিক্ষার হার ৮১.৮৬%। জয়পুরহাট বাংলাদেশের ৭ টি নিরক্ষরমুক্ত জেলার মধ্যে অন্যতম। জেলায় সরকারি কলেজ- ৩টি, বেসরকারী কলেজ- ৩৯টি, মহিলা ক্যাডেট কলেজ- ১টি, সরকারি ইনস্টিটিউট অব হেলথ্ টেকনোলজি- ১টি, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়- ৪টি, বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়- ১৬১টি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়- ২৬৩টি, বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়- ৮৭টি, সরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- ২টি,
বেসরকারী কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- ১৩টি, কামিল মাদ্রাসা- ৪টি, ফাজিল মাদ্রাসা- ১০টি, আলিম মাদ্রাসা- ১৭টি, দাখিল মাদ্রাসা- ৮০টি, পিটিআই- ১টি, মডেল মাদ্রাসা- ১ টি রয়েছে, টিটিসি ১ টি, ১টি শিশু কল্যাণ বিদ্যালয় রয়েছে। এগুলোর মধ্যে জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ, জয়পুরহাট সরকারি কলেজ,মহীপুর হাজী মহাসীন সরকারি কলেজ,ক্ষেতলাল এস. এ. ডিগ্রী কলেজ, কালাই ডিগ্রী কলেজ, নান্দাইল দিঘি কলেজ, রামদেও বাজলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, জয়পুরহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, জয়পুরহাট সদর থানা উচ্চ বিদ্যালয়, কালাই সরকারি এম. ইউ. উচ্চ বিদ্যালয়, ক্ষেতলাল সরকারি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় জেলার মধ্যে অন্যতম ।
এ জেলায় পড়াশুনার জন্য অনেকগুলো মাদ্রাসা রয়েছে তন্মধ্যে জয়পুরহাট সিদ্দিকীয়া কামিল মডেল মাদ্রাসা,হানাইল নোমানিয়া কামিল মাদ্রাসা,কড়ই নুরুলহুদা কামিল মাদ্রাসা,মহুরুল দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসা,ও নেংগাপীর ফাজিল মাদ্রাসা উল্লেখযোগ্য।
অধিকাংশ মানুষ ইসলাম ধর্মাবলম্বী। সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমান হলেও এখানে হিন্দু, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী সহ কিছু আদিবাসী জনবসতি রয়েছে । এদের ভিতরে সাঁওতাল,ওরাও, মুনডা, মাহালি , বুনা, কোচ,হো, রাজবংশী, পাহান ইত্যাদি জনগোষ্টীর সংখ্যা প্রায় ২.২৫% । মোট ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ৪৮০০০ জন(২০০১)
জেলায় মোট মসজিদের সংখ্যাঃ ২৫৭৩
জেলায় মোট হিন্দু মন্দিরের সংখ্যাঃ ৪৩৪
জেলায় মোট বৌদ্ধ মন্দিরের সংখ্যাঃ ১৮
জেলায় মোট গীর্জার সংখ্যাঃ ২১
জেলায় মোট ১৮৬ টি মসজিদ কেন্দ্রীয় পাঠাগার, ৬৭৫ জন প্রশিক্ষিত ইমাম, ২২০০ ইমাম রয়েছে।

